Skip to content
“SHOJIB WAREHOUSE”Your Trusted B2B Wholesale Partner.Hotline:+88 01307 529532Call or WhatsApp“SHOJIB WAREHOUSE”Your Trusted B2B Wholesale Partner.Hotline:+88 01307 529532Call or WhatsApp“SHOJIB WAREHOUSE”Your Trusted B2B Wholesale Partner.Hotline:+88 01307 529532Call or WhatsApp
Shojib Warehouse
Shojib Warehouse Magazine

Import & Export

বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স: আমদানি পণ্য ছাড়ানোর পুরো প্রক্রিয়া

IGM থেকে Bill of Entry, অ্যাসেসমেন্ট, শুল্ক পরিশোধ আর রিলিজ অর্ডার — বাংলাদেশ কাস্টমসের সরকারি প্রক্রিয়া অনুযায়ী ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা।

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ 6 মিনিট পড়াShojib Warehouse টিম

পণ্য বন্দরে বা বিমানবন্দরে পৌঁছানো মানেই হাতে পাওয়া নয়। মাঝখানে আছে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স — যেখানে কাগজপত্র, শুল্ক আর পরীক্ষার কাজ শেষ হলে তবেই পণ্য ছাড় পায়। প্রক্রিয়াটা বুঝলে সময় ও খরচ দুটোই বাঁচে।

ধাপ ১: ম্যানিফেস্ট জমা (IGM)

জাহাজ বা বিমান কোম্পানির এজেন্ট কাস্টমসের কাছে ইলেকট্রনিকভাবে Import General Manifest (IGM) জমা দেয় — এতে ওই চালানে কী কী পণ্য এসেছে তার তালিকা থাকে।

ধাপ ২: Bill of Entry দাখিল

আপনার মনোনীত C&F এজেন্ট (বা আমদানিকারক নিজে) ASYCUDA World সিস্টেমে নির্ধারিত SAD ফরম্যাটে Bill of Entry (B/E) দাখিল করেন। এখানে পণ্যের বিবরণ, HS কোড, পরিমাণ ও মূল্য ঘোষণা করা হয়।

ধাপ ৩: অ্যাসেসমেন্ট

কাস্টমস ঘোষিত তথ্য যাচাই করে শুল্ক ও কর নির্ধারণ করে। রাসায়নিক পরীক্ষা বা অতিরিক্ত তদন্ত দরকার হলে সাময়িক (provisional) অ্যাসেসমেন্ট হতে পারে — তখন ব্যাংক গ্যারান্টি বা জামানত দিতে হয়, আর চূড়ান্ত অ্যাসেসমেন্ট ১২০ কর্মদিবসের মধ্যে শেষ করতে হয়।

ধাপ ৪: পরীক্ষা (প্রয়োজনে)

ঝুঁকি বিবেচনায় কাস্টমস পণ্য খুলে দেখতে পারে। ঘোষণার সাথে পণ্যের মিল না থাকলে জরিমানা ও দেরি দুটোই হয় — তাই ইনভয়েস ও প্যাকিং লিস্ট নির্ভুল রাখা জরুরি।

ধাপ ৫: শুল্ক পরিশোধ ও রিলিজ

নির্ধারিত শুল্ক ও কর পরিশোধের পর কাস্টমস রিলিজ অর্ডার দেয়। বন্দর বা বিমানবন্দরের নিজস্ব আনুষ্ঠানিকতা (চার্জ, গেট পাস) শেষ হলে পণ্য বের করা যায়।

সব আমদানিতে যে কাগজ লাগে

  • Letter of Credit (L/C)
  • Commercial Invoice
  • Bill of Lading / Airway Bill
  • Packing List
  • Certificate of Origin
  • ইন্স্যুরেন্স পলিসি বা কভার নোট
  • VAT/BIN সার্টিফিকেট

দেরি করলে কী হয়

বাংলাদেশ কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, আনলোডের পর বিমানপথের পণ্য ২১ দিনের মধ্যে এবং বন্দর/স্থলবন্দর/ICD-র পণ্য ৩০ দিনের মধ্যে ছাড়ানো না হলে (সময় বাড়ানো না হলে) তা নিলামে উঠতে পারে।

নোট: শুল্ক, বন্দর ও সরকারি নিয়ম সময়ে সময়ে বদলায়। এই লেখা সাধারণ ধারণা দেওয়ার জন্য — আমদানির আগে বাংলাদেশ কাস্টমস, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা আপনার C&F এজেন্ট থেকে সর্বশেষ নিয়ম নিশ্চিত করুন।

ছবি: চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস — Iqbal Hossain, CC BY-SA 4.0, Wikimedia Commons

তথ্যসূত্র

Shojib Warehouse

আপনার ব্যবসার পরবর্তী ধাপে আমরা পাশে আছি

অথেনটিক কোরিয়ান স্কিনকেয়ার হোলসেল, South Korea ⇄ Bangladesh ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট আর নতুন ব্যবসা শুরুর সাপোর্ট — এক জায়গায়।

Duty & TaxImport & Export

কসমেটিক্স আমদানিতে শুল্ক কাঠামো: CD, RD, SD, VAT, AIT, AT আর TTI বুঝুন

একটি চালানে কত শুল্ক লাগবে তা আগে থেকে আন্দাজ করতে শুল্কের প্রতিটি অংশ কী, কীসের উপর হিসাব হয় আর সরকারি ক্যালকুলেটর কীভাবে ব্যবহার করবেন।

5 মিনিট পড়াপড়ুন
BSTIImport & Export

BSTI কেন জরুরি: আমদানিকৃত স্কিনকেয়ারে বাধ্যতামূলক সার্টিফিকেশন

স্কিন ক্রিম, লিপস্টিক, শ্যাম্পু, হেয়ার অয়েলসহ কোন কসমেটিক্স BSTI-র বাধ্যতামূলক তালিকায়, কাস্টমসে কেন আটকায় আর ক্রেতার নিরাপত্তায় এর ভূমিকা।

5 মিনিট পড়াপড়ুন
BSTI LicenceImport & Export

BSTI লাইসেন্স কীভাবে নেবেন: আবেদন, কাগজপত্র, ফি ও সময়

BSTI-র অনলাইন পোর্টালে আবেদন থেকে স্যাম্পল টেস্ট, মূল্যায়ন আর লাইসেন্স ইস্যু পর্যন্ত — কসমেটিক্স ব্যবসায়ীদের জন্য ধাপে ধাপে গাইড।

6 মিনিট পড়াপড়ুন